মাগুরায় শারদীয় দুর্গা উৎসব মহাসপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৫৯ Time View

স্টাফরিপোর্টার।।
মাগুরায় শারদীয় দূর্গা উৎসব উপলক্ষে জেলা শহরসহ চার উপজেলায়-৬২১ টি পূজা মন্ডপে
মহাসপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৯ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
মহাসপ্তমী পূজা শারদীয় দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিন হলো মহাসপ্তমী।ষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধন বা আহ্বান সম্পন্ন হয়,আর সপ্তমীতে দেবীকে পূজার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে পূজা শুরু হয়।
মহাসপ্তমীর মূল আচার হলো নবপত্রিকা স্নান ও স্থাপন।
কলা গাছসহ ৯ প্রকার গাছের পত্র একত্রে বেঁধে নবপত্রিকা তৈরি করা হয়। এগুলো দেবী দুর্গার নয় রূপকে প্রতীকীভাবে ধারণ করে।
ভোরে নদী, পুকুর বা জলাশয়ে নবপত্রিকা স্নান করানো হয় এবং পূজামণ্ডপে এনে দেবীর বাম পাশে স্থাপন করা হয়।
এরপর কলা বউ বা নবপত্রিকা দেবীর এক রূপ হিসেবে পূজিত হয়।
মহাসপ্তমীতে দেবীর শক্তির সঙ্গে প্রকৃতির মিলন ঘটে।
ভক্তরা বিশ্বাস করেন, এই দিনে দেবী দুর্গা অসুরবধের জন্য ভক্তদের আশীর্বাদ দিতে মর্ত্যে আবির্ভূত হন।
মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাক, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে এক অনন্য ভক্তিময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
সপ্তমীর দিন থেকেই মূলত দুর্গাপূজার উৎসবমুখরতা শুরু হয়।
সকালে মহাস্নান,কলাবউ স্থাপন,অঞ্জলি প্রদান এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।
সারা দিন ভক্তরা দেবীর সামনে প্রার্থনা করে শান্তি, সমৃদ্ধি ও শক্তি কামনা করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

৯৮০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি আটক।

মাগুরায় শারদীয় দুর্গা উৎসব মহাসপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৭:৪২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্টাফরিপোর্টার।।
মাগুরায় শারদীয় দূর্গা উৎসব উপলক্ষে জেলা শহরসহ চার উপজেলায়-৬২১ টি পূজা মন্ডপে
মহাসপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৯ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
মহাসপ্তমী পূজা শারদীয় দুর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিন হলো মহাসপ্তমী।ষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধন বা আহ্বান সম্পন্ন হয়,আর সপ্তমীতে দেবীকে পূজার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে পূজা শুরু হয়।
মহাসপ্তমীর মূল আচার হলো নবপত্রিকা স্নান ও স্থাপন।
কলা গাছসহ ৯ প্রকার গাছের পত্র একত্রে বেঁধে নবপত্রিকা তৈরি করা হয়। এগুলো দেবী দুর্গার নয় রূপকে প্রতীকীভাবে ধারণ করে।
ভোরে নদী, পুকুর বা জলাশয়ে নবপত্রিকা স্নান করানো হয় এবং পূজামণ্ডপে এনে দেবীর বাম পাশে স্থাপন করা হয়।
এরপর কলা বউ বা নবপত্রিকা দেবীর এক রূপ হিসেবে পূজিত হয়।
মহাসপ্তমীতে দেবীর শক্তির সঙ্গে প্রকৃতির মিলন ঘটে।
ভক্তরা বিশ্বাস করেন, এই দিনে দেবী দুর্গা অসুরবধের জন্য ভক্তদের আশীর্বাদ দিতে মর্ত্যে আবির্ভূত হন।
মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাক, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে এক অনন্য ভক্তিময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
সপ্তমীর দিন থেকেই মূলত দুর্গাপূজার উৎসবমুখরতা শুরু হয়।
সকালে মহাস্নান,কলাবউ স্থাপন,অঞ্জলি প্রদান এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।
সারা দিন ভক্তরা দেবীর সামনে প্রার্থনা করে শান্তি, সমৃদ্ধি ও শক্তি কামনা করেন।