শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনা সেনাবিদ্বেষী ছিলেন: মাহমুদুর রহমানের সাক্ষ্য

  • নিউজ ডেস্ক :
  • Update Time : ০৮:০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৯০ Time View

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুজনেই সেনাবিদ্বেষী ছিলেন। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি দাবি করেন, পিলখানায় সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের পর শেখ হাসিনা বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণে নেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বাসভবন থেকে উচ্ছেদ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের উদ্যোগ নেন।

এদিন তিনি মামলার ৪৬তম সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল এ সাক্ষ্যগ্রহণ করে। একইদিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর মাহমুদুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সাক্ষ্য হওয়ার কথা থাকলেও তারা উপস্থিত হতে না পারায় সময়ের আবেদন করেন, যা ট্রাইব্যুনাল মঞ্জুর করে। এর আগে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

৯৮০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি আটক।

শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনা সেনাবিদ্বেষী ছিলেন: মাহমুদুর রহমানের সাক্ষ্য

Update Time : ০৮:০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুজনেই সেনাবিদ্বেষী ছিলেন। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাক্ষ্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি দাবি করেন, পিলখানায় সেনাবাহিনীর হত্যাকাণ্ডের পর শেখ হাসিনা বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণে নেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বাসভবন থেকে উচ্ছেদ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের উদ্যোগ নেন।

এদিন তিনি মামলার ৪৬তম সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হন। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল এ সাক্ষ্যগ্রহণ করে। একইদিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও সাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর মাহমুদুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সাক্ষ্য হওয়ার কথা থাকলেও তারা উপস্থিত হতে না পারায় সময়ের আবেদন করেন, যা ট্রাইব্যুনাল মঞ্জুর করে। এর আগে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।