দৌলতপুর(মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ৫৩ তম নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের ‘কোন মেস্তরী নাও বানাইল, কেমন দেখা যায়। ঝিলমিল ঝিলমিল করে রে ময়ূরপঙ্খী নাও’ গানের সুরে সুরে প্রতিযোগিরা বৈঠায় টান দিয়ে এগিয়ে চলেন। এ যেন প্রাণের স্পন্ধন ছুঁয়ে যায়।

গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে কয়েক যুগ ধরে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা আয়োজন করছে মানিকগঞ্জে দৌলতপুর উপজেলার খলসী ইউনিয়নের পারমাস্তুল গ্রামের এলাকাবাসী ।
(৩০ আগস্ট) শনিবার বিকেলে পারমাস্তুল নদীতে নৌকা বাইচের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য নৌকা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা দেখতে হাজারও মানুষ ভিড় জমান।
নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় আসমত আলীর নৌকা, রানারআপ লালপুর গ্রামের নৌকা।
নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক মো. আব্দুস ছামাদ মাস্টারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ারের হোসেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও আহবায়ক কমিটি সদস্য ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম বিল্টু,খলসি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান,বিএনপি নেতা মো. হিমোন খান,জেলা শহীদ জিয়া প্রজম্মদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.শফিকুল ইসলাম শফিক,চকমিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মো. আজিজুল হক মিন্টু প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিল খলসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জিয়াউর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু বলেন-নৌকা বাইচ আমাদের ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি শুধুমাত্র একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি আমাদের শেকড়। নৌকা বাইচ বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মানুষের আত্মার সঙ্গে সম্পর্কিত এক অবিচ্ছেদ্য উৎসব। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান বলেছেন গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি ও খেলাধুলার প্রতি আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে।
এ সময় তিনি আরো বলেন-আজকে আমি আপনাদের সাথে থাকতে পেয়ে নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে করছি। আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আপনাদের নিয়েই আগামী দিনের পথ চলতে চাই।

Reporter Name 









