মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ-
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার উলাইল ইউনিয়ন পরিষদে ল্যাপটপ ক্রয় ও আসবাবপত্র সরবরাহের টিআর প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ লোপাটের অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে । ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন ও প্রকল্প সভাপতি স্থানীয় মেম্বার সফি উদ্দিন যোগসাযশে যথাযথ সময়ে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় না করে হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা করছেন অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। তবে, দুই সপ্তাহের মধ্যে ল্যাপটপ ক্রয় ও আসবাবপত্র সরবরাহ করা না হলে প্রকল্প বাতিল করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা
সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানা যায়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের টিআর প্রকল্পের আওতায় ল্যাপটপ ক্রয় ও আসবাবপত্র সরবরাহের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু অর্থবছর শেষ হলেও কিছুই কেনা হয়নি। কিন্তু দুই মাস আগেই বরাদ্দকৃত অর্থের ৫৫ হাজার ৫ শ’ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এ নিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রকল্পের সভাপতি পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন।
প্রকল্প সভাপতি স্থানীয় মেম্বার সফি উদ্দিন জানান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ল্যাপটপ ও আসবাবপত্র ক্রয় করা কথা । পারিবারিক সমস্যার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করেছেন এই প্রকল্প সভাপতি।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে উলাইল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন প্রকল্পে কোন অনিয়ম হচ্ছে না বলে সাফাই গেয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বিভ্রান্তিকর কথা বলেন। এক পর্যায়ে তিনি জানান, প্রকল্পের বরাদ্দকৃত কিছু অর্থ উত্তোলনের কথা শুনেছেন। এখন পর্যন্ত কোন কিছু কেনা হয়নি। টাকা চেয়ারম্যানের কাছে আছে।
তবে উলাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান জানান, প্রকল্পের সভাপতি ও স্থানীয় মেম্বারের পারিবারিক সমস্যার কারণে কোন কিছু কেনা হয়নি। বরাদ্দকৃত অর্থের অর্ধেক উত্তোলন করা হয়েছে। এই টাকা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনের কাছে রাখা হয়েছে। পুরা টাকা উত্তোলন করে সব কিছু কেনা হবে। নির্দিষ্ট সময়ে কেন বরাদ্দের ল্যাপটপ ও আসবাবপত্র কেনা হয়নি? তার সঠিক কারণ বলতে পারেননি এই চেয়ারম্যান।
এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার চৌধুরি বলেন,‘প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে আরও দুই সপ্তাহ সময় তাদের দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্য কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে প্রকল্প বাতিল করে দেয়া হবে।’
Reporter Name 









