শিশু সাইমুনকে নিয়েপরিবার চিন্তিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • ১৩১ Time View


 
স্টাফরিপোর্টারঃ
 অস্বাভাবিক বড় মাথা ঠিকমত খাবার খেতে পারেনা শিশু সাইমুন।প্রায় সময়ই শিশুটির হাত-পা কাঁপতে থাকে।অন্য শিশুদের মত স্বাভাবিক আচরণ নেই তার মধ্যে।জন্মের পর থেকে শিশুটিকে নিয়ে তার পিতা মাতা অনেক দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। 
৪-বছরের শিশু সাইমুনকে নিয়ে তার গর্ভধারিণী মা আশ্রয় নিয়েছে নানার বাড়ি মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা শিরগ্রামে।
রোগ আক্রান্ত শিশুটিকে কোলে নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে অসহায় মা আফরোজা খাতুন।জন্মের পর থেকেই শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোন সুফল পাওয়া যায়নি।
ওই শিশুর নানা আব্দুল হাই মিয়া বলেন,তার কন্যা আফরোজার সাথে প্রায়-১৫ বছর হয়েছে, শৈলকুপার ভাটুরিয়া এলাকার ভ্যান চালক সাগর মন্ডলের বিবাহ হয়।পরে আফরোজার গর্ভ থেকে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।জন্মের সময় শিশুটির মাথার আকৃতি কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হলেও আস্তে আস্তে মাথাটি বৃদ্ধি পায়।যশোর ঝিনাইদহসহ আশপাশের অনেক ডাক্তার শিশুটির চিকিৎসা করলেও কোন সফলতা পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসা বলছেন ছেলেটির ব্রেইনে পানি জমেছে দ্রুত অপারেশন করা দরকার।এই মুহূর্তে অপারেশন করতে অনেক টাকা দরকার।সাইমুনের মা আফরোজা খাতুন  
বলেন,শিশুটি জন্মের পর থেকে অভাবের সংসার শুরু হয় নানা ধরনের সমস্যা।এমনকি চিকিৎসার বিষয় নিয়ে সংসারে দরিদ্র ভ্যান চালক আমার স্বামীর সাথে নানা ধরনের ঝামেলা লেগে থাকে এবং সংসার ভাঙতে বসেছে।অর্থের অভাবে সন্তানটিকে ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারছি না।সাইমুনের মাথা অস্বাভাবিক বড় হওয়ায় নিজে চলাফেরা করতে পারছে না।এছাড়া ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করতে পারেনা।  
মাঝে মাঝে বাবা-মা ডাক দিতে পারলেও কিছু মনে রাখতে পারে না।শিশুটির দরিদ্র মা তার সন্তানকে উন্নত চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সমাজের বিত্তবান লোকদের নিকট আর্থিক সহায়তার জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।সকলের নিকট একটু সহানুভূতি শিশুটি কি পেতে পারে না?এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কাজী আবু আহসান জানান,শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া খুবই জরুরী।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

৯৮০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি আটক।

শিশু সাইমুনকে নিয়েপরিবার চিন্তিত

Update Time : ০১:৩৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫


 
স্টাফরিপোর্টারঃ
 অস্বাভাবিক বড় মাথা ঠিকমত খাবার খেতে পারেনা শিশু সাইমুন।প্রায় সময়ই শিশুটির হাত-পা কাঁপতে থাকে।অন্য শিশুদের মত স্বাভাবিক আচরণ নেই তার মধ্যে।জন্মের পর থেকে শিশুটিকে নিয়ে তার পিতা মাতা অনেক দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। 
৪-বছরের শিশু সাইমুনকে নিয়ে তার গর্ভধারিণী মা আশ্রয় নিয়েছে নানার বাড়ি মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা শিরগ্রামে।
রোগ আক্রান্ত শিশুটিকে কোলে নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে অসহায় মা আফরোজা খাতুন।জন্মের পর থেকেই শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোন সুফল পাওয়া যায়নি।
ওই শিশুর নানা আব্দুল হাই মিয়া বলেন,তার কন্যা আফরোজার সাথে প্রায়-১৫ বছর হয়েছে, শৈলকুপার ভাটুরিয়া এলাকার ভ্যান চালক সাগর মন্ডলের বিবাহ হয়।পরে আফরোজার গর্ভ থেকে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।জন্মের সময় শিশুটির মাথার আকৃতি কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হলেও আস্তে আস্তে মাথাটি বৃদ্ধি পায়।যশোর ঝিনাইদহসহ আশপাশের অনেক ডাক্তার শিশুটির চিকিৎসা করলেও কোন সফলতা পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসা বলছেন ছেলেটির ব্রেইনে পানি জমেছে দ্রুত অপারেশন করা দরকার।এই মুহূর্তে অপারেশন করতে অনেক টাকা দরকার।সাইমুনের মা আফরোজা খাতুন  
বলেন,শিশুটি জন্মের পর থেকে অভাবের সংসার শুরু হয় নানা ধরনের সমস্যা।এমনকি চিকিৎসার বিষয় নিয়ে সংসারে দরিদ্র ভ্যান চালক আমার স্বামীর সাথে নানা ধরনের ঝামেলা লেগে থাকে এবং সংসার ভাঙতে বসেছে।অর্থের অভাবে সন্তানটিকে ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারছি না।সাইমুনের মাথা অস্বাভাবিক বড় হওয়ায় নিজে চলাফেরা করতে পারছে না।এছাড়া ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করতে পারেনা।  
মাঝে মাঝে বাবা-মা ডাক দিতে পারলেও কিছু মনে রাখতে পারে না।শিশুটির দরিদ্র মা তার সন্তানকে উন্নত চিকিৎসা ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সমাজের বিত্তবান লোকদের নিকট আর্থিক সহায়তার জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য।সকলের নিকট একটু সহানুভূতি শিশুটি কি পেতে পারে না?এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কাজী আবু আহসান জানান,শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া খুবই জরুরী।